গোপন সূরার গোপন খবর:পর্ব-১ম


৭৪:৩০ "ইহার উপর ১৯।"


কোরআনের সর্বত্র একটি বিস্ময়কর গানিতিক সংখ্যার জাল বোনা রয়েছে।

আল্লাহ ১৯ সংখ্যার মাধ্যমে কোরআনকে কে এমন এক গানিতিক ফর্মুলায় সাজিয়ে রেখেছেন যেন এতে ব্যবহৃত বর্ণমালা , শব্দ ও আয়াতসমূহের কোনো রকম পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংযোজন এবং বিয়োজন কারো পক্ষে সম্ভব না হয়।


* ১৯ ইচ্ছে করে বেছে নেয়া হয়নি। ১৯ কোরআন থেকে নেয়া হয়েছে।

     সূরা মুদ্দাসসিরের ৩০ নম্বর আয়াতে ১৯ সংখ্যাটি আছে।  

     আয়াতটি হলো ‘আলাইহা তিসয়াতা আশারা’ অর্থাৎ ‘ইহার উপর ১৯’।


* ১৯ সংখ্যাকে বেছে নেয়ার কারনও বলা আছে  ৩১ নাম্বার আয়াতে-

১. কাফেরদেরকে পরীক্ষা করার জন্যে

২. কিতাবীরা দৃঢ়বিশ্বাসী হয়

৩. মুমিনদের ঈমান বৃদ্ধি পায়

৪. কিতাবীরা ও মুমিনগণ সন্দেহ পোষণ না করে

৫. আল্লাহ এর দ্বারা কি বোঝাতে চেয়েছেন

   

* ১৯ একটি মৌলিক সংখ্যা, প্রাইম নাম্বার।

https://en.wikipedia.org/wiki/List_of_prime_numbers


* ১৯ সংখ্যাটি গাণিতিক সংখ্যার মোট ৯ ডিজিটের (১-৯)

     আলফা (১) এবং ওমেগা (৯) দিয়ে গঠিত


* ১৯ আছে ৩০ নম্বর আয়াতে সূরা মুদ্দাসসিরের।

    ১৯ এবং ৩০ এই দুটির মধ্যে একটা সম্পর্ক আছে।

    ১৯ একটা প্রাইম নাম্বার, আর ৩০ হচ্ছে ১৯ তম নন-প্রাইম নাম্বার।

   (৪, ৬, ৮, ৯, ১০, ১২, ১৪, ১৫, ১৬, ১৮, ২০, ২১, ২২, ২৪, ২৫, ২৬, ২৭, ২৮, ৩০)।

   https://en.wikipedia.org/wiki/Composite_number


প্রাইম নাম্বার এবং নন-প্রাইম নাম্বার এক আয়াতে বিদ্যমান এবং সংখ্যা দুটো ১৯ রিলেটেড।

১৯তম নন-প্রাইম নাম্বার আয়াতে প্রাইম নাম্বার ১৯ দিয়ে কিছু একটা ইঙ্গিত করা হয়েছে!

কি ইঙ্গিত করা হয়েছে তা জানতে, বুঝতে, খুঁজতে, অনুধাবন করব:-



১)

 কোরআন যে ১৯ সংখ্যার গানিতীক কোড দিয়ে সাজানো প্রথম আবিষ্কৃত হয় ১৯৭৪ সালে।

এরপরই বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক গবেষণা শুরু হয়। আরবী "মুদ্দাসসির" শব্দটির অর্থ "লুকায়িত" বা গোপন।
সূরা মুদ্দাসসির কোরআনের ৭৪ তম সূরা ।

কথা হচ্ছে, যখন আমরা আবিষ্কৃত ১৯ আর সূরা মুদ্দাসসির এর কোরআনে অবস্থান ৭৪ কে পাশাপাশি বসাই, তখন যে সংখ্যাটি পাওয়া যায় তা হলো ১৯৭৪, যা যে সালে বিষয়টি আবিষ্কার হয়েছে তার সমান।

রহস্যটা যদি এখানেই শেষ হয়ে যেতো!


২)

আপনি যদি সূরা মুদ্দাসসির পরেন তাহলে দেখবেন, এই সূরাটির ১ টি আয়াত বাদে বাকি সব আয়াতগুলো খুব ছোট ছোট। আর এই অস্বাভাবিক আয়াতটা হচ্ছে সূরাটির ৩১ নং আয়াত। একমাত্র এই আয়াতেই ১৯ এর কার্যকারিতা সম্বন্ধে বলা হয়েছে। আয়াতটিতে মোট ৫৭ টি শব্দ আছে।


৫৭=১৯ x ৩; এখানে আমরা দু’টি উৎপাদক পেলাম, একটি ১৯ আর একটি ৩

লক্ষ্য করুন কি চমৎকার বিষয়,৩০ নং আয়াতে যেখানে প্রথম ১৯ এর ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, তার শব্দ সংখ্য ঠিক ৩ টি। আবার বলা চলে শব্দ গড়ে ৩১ নং আয়াতটি ৩০ নং আয়াতের ১৯ গুণ বড়।

রহস্যটা যদি এখানেই শেষ হয়ে যেতো!



৩)

সূরাটি ৭৪ নং সূরা, মুদ্দাসসির শব্দটা আছে ১ নং আয়াতে অথাৎ ৭৪:১।

যদি (:) বাদ দিয়া হয় তাহলে সংখ্যাটি হয় ৭৪১। এই ১ নং আয়াতটি থেকে শুরু করে , কোরআনের সর্বশেষ আয়াত পর্যন্ত গননা করলে মোট ৭৪১ টা আয়াত পাওয়া যায়। ৭৪১ সংখ্যাটি ১৯ দ্বারা বিভাজ্য (৭৪১=১৯ x ৩৯)

রহস্যটা যদি এখানেই শেষ হয়ে যেতো!



৪)

৩১ নং আয়াতটির একটা বাক্য হলো-

“ আল্লাহ এর দ্বারা কি বুঝাতে চেয়েছেন?” আরবি এই বাক্যটিতে মোট ১৯ টি অক্ষর  আছে।

N.B.: যে সফটওয়ারে সাহায্য নিয়ে ছিলাম তার Screenshot-1 নিচে দেয়া হলে।

রহস্যটা যদি এখানেই শেষ হয়ে যেতো!



৫) ৩১ নং আয়াতটির  শুরু থেকে “ আল্লাহ এর দ্বারা কি বুঝাতে চেয়েছেন?” এই পর্যন্ত বর্ণনা করতে  আরবি শব্দ বসেছে ৩৮ টি; যা ১৯ দ্বারা বিভাজ্য।  ৩৮=১৯ x ২;

N.B.: যে সফটওয়ারে সাহায্য নিয়ে ছিলাম তার Screenshot-2 নিচে দেয়া হলে।

রহস্যটা যদি এখানেই শেষ হয়ে যেতো!



৬)

এই সূরার প্রথম থেকে ৩০ তমআয়াতে উল্লেখিত "ইহার উপর" ( عَلَيْهَا) শব্দটি মোট শব্দ সংখ্যা ৯৫ টি; যা ১৯ এর ৫ গুণ;অর্থাৎ ৯৫=১৯ x ৫

N.B.: যে সফটওয়ারে সাহায্য নিয়ে ছিলাম তার Screenshot-3 নিচে দেয়া হলে।

রহস্যটা যদি এখানেই শেষ হয়ে যেতো!



৭)

সূরাটিতে অগ্নি অর্থে “সাকার” শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে ২৬, ২৭ ও ৪২ নং আয়াতে। যেগুলোতে বলা হচ্ছে, যারা সুস্পষ্ট নিদর্শন দেখার পরও, কোরআনকে মানুষের উক্তি বলবে, তাদরেকে সাকার বা অগ্নিতে নিক্ষেপ করা হবে। আয়াত গুলো যোগ করলে ২৬+২৭+৪২=৯৫, লক্ষনীয় ১৯ x ৫=৯৫।

রহস্যটা যদি এখানেই শেষ হয়ে যেতো!



৮)

সূরা আল মুদ্দাসসির (গোপন) এর আয়াত সংখ্যা ৫৬;এতে সর্ব প্রথমেই আরেকটি  নম্বর বিহীণ আয়াত রয়েছে যার পবিচয় “বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম”,এই আয়াতটি নিয়ে সূরাটির মোট আয়াত সংখ্যা দাঁড়ায় ৫৭, যা ১৯ এর ৩ গুণ;  ৫৭=১৯ x ৩ 

রহস্যটা যদি এখানেই শেষ হয়ে যেতো!



৯)

১৯ এর কাজ বর্ণনাকারী আয়াতটিতে মোট যে শব্দ সংখ্যা রয়েছে তা এই সূরার প্রথম ১৯ টি আয়াতের মোট শব্দ সংখ্যার সমান; আর সেই সংখ্যাটি হল ৫৭ যা  ১৯ দ্বারা বিভাজ্য; ৫৭=১৯ x ৩

রহস্যটা যদি এখানেই শেষ হয়ে যেতো!



১০)

এই সূরার ৩১ নংআয়াতটিতে "আপনার পালনকর্তার বাহিনী সম্পর্কে একমাত্র তিনিই জানেন" এই বর্ণনার অংশটুকু ১৯ টি আরবি অক্ষরে তৈরী।

N.B.: যে সফটওয়ারে সাহায্য নিয়ে ছিলাম তার Screenshot-4 নিচে দেয়া হলে।

রহস্যটা যদি এখানেই শেষ হয়ে যেতো!



১১)

৮ম প্রাইম নাম্বর হলো ১৯।

 https://en.wikipedia.org/wiki/List_of_prime_numbers


সুতরাং কোরআনে ৮ ও ১৯ এর সাথে কোন একটি সর্ম্পক থাকার কথা।

কোরআনে ৮ সংখ্যা মোট ৫বার উল্লেখ রয়েছে- ৬:১৪৩,২৮:২৭, ৩৯:৬, ৬৯:৭, ৬৯:১৭



৬:১৪৩-'ছামানিইয়াতা আজওয়াজিন' অর্থ 'আট জোড়া'

http://corpus.quran.com/wordbyword.jsp?chapter=6&verse=143


২৮:২৭-'ছামানিয়া হিজাজিন' অর্থ 'আট বছর' 

http://corpus.quran.com/wordbyword.jsp?chapter=28&verse=27


৩৯:৬-'ছামানিইয়াতা আজওয়াজিন' অর্থ 'আট জোড়া'

http://corpus.quran.com/wordbyword.jsp?chapter=39&verse=6


৬৯:৭-'ছামানিয়াতা আইইয়াম' অর্থ  'আট দিন'

http://corpus.quran.com/wordbyword.jsp?chapter=69&verse=7


৬৯:১৭-'ছামানিয়াত' অর্থ  'আট'

http://corpus.quran.com/wordbyword.jsp?chapter=69&verse=17


উপরের আয়াতগুলো থেকে শুধুমাত্র ৬৯:১৭ আয়াত থেকে আট () কে সংখ্যার জন্য নির্বাচন করা যায়, যেমনটা আছে ৭৪:৩০ আয়াতে ১৯ ।


৬৯:১৭ ও ৭৪:৩০ যোগ করলে পাই, ৬৯+১৭ + ৭৪+৩০=১৯০=১৯ x ১০

রহস্যটা যদি এখানেই শেষ হয়ে যেতো!



১২)

৭৪:৩৫ "ইহা অবশ্যই অলৌকিকসমূহের মধ্যে একটি বড় অলৌকিক" আয়াতটি একটি মিলাকলে দিকে ইংগিত করে।

লক্ষনীয়, ৭+৪+৩+৫=১৯

রহস্যটা যদি এখানেই শেষ হয়ে যেতো!



১৩)

অতি প্রাচীনকাল থেকে গাণিতিক সংখ্যাকে আরবি, গ্রীক, হিব্রু, ভাষার অক্ষরে লেখার প্রচলন ছিল। প্রতিটি অক্ষরের সংখ্যাগত মান ছিল এবং গণনার জন্যে অক্ষরগুলি ব্যবহার হতো। একে আবজদ বলে। 

https://en.wikipedia.org/wiki/Abjad_numerals


সূরাটির ৩০ নং আয়াতের শেষ শব্দ "আশার" অর্থ "উনিশ"

"আশার" (ع ش ر)  শব্দটির সংখ্যাগত মান ৫৭০ ।


ع    এর মান  = ৭০

ش   এর মান  = ৩০০

ر    এর মান  = ২০০

_____________

যোগফল      = ৫৭০


লক্ষনীয়, ৫৭০  = ১৯ x ৩০ ।

রহস্যটা যদি এখানেই শেষ হয়ে যেতো!



১৪)

"সাকার" শব্দটি পবিত্র কোরআনে ৪ বার ব্যবহৃত হয়েছেতন্মধ্যে তিন বারই রয়েছে সূরা আল মুদ্দাচ্ছিরে। আর  ২৬,২৭ ও ৪২ এই তিনটি আয়াতের গাণিতিক মান ১৯০০। 


 سَأُصليهِ سَقَرَ

২৬ আয়াতের গাণিতিক মান ৬০+১+৯০+৩০+১০+৫+৬০+১০০+২০০=৫৫৬


وَما أَدرىٰكَ ما سَقَرُ

২৭ আয়াতের গাণিতিক মান ৬+৪০+১+১+৪+২০০+১০+২০+৪০+১+৬০+১০০+২০০=৬৮৩


ما سَلَكَكُم فى سَقَرَ

৪২ আয়াতের গাণিতিক মান ৪০+১+৬০+৩০+২০+২০+৪০+৮০+১০+৬০+১০০+২০০=৬৬১



লক্ষনীয়, ৫৫৬+৬৮৩+৬৬১= ১৯০০=১৯ x ১০০  

এবার যদি আমরা এই তিনটি আয়াতের সংখ্যামানের সাথে সূরা ক্রমিক নং ৭৪ যোগ করি তবে ঠিক সেই ইংরেজী সালটি পাই যা এই রহস্যময় ১৯ আবিস্কারের সাল।অর্থাৎ ১৯০০+৭৪=১৯৭৪; 

রহস্যটা যদি এখানেই শেষ হয়ে যেতো!


১৫)

এই সূরার ৩১ নং আয়িাতটি ১৯ এর পরিচয় বাহক আয়াত হলেও এর পরে পবিত্র কোরআনের শেষ অবদি আর কোন আয়াত নেই যার শব্দ সংখ্যা  ১৯ দ্বারা সমন্বিত। 

রহস্যটা যদি এখানেই শেষ হয়ে যেতো!



১৬)

আল্লাহ এককে আরবীতে বলা হয় আল্লাহু “ওয়াহেদ”


 وَهُوَ الْوَاحِدُ الْقَهَّارُ অর্থাৎ এবং তিনি একক, পরাক্রমশালী। (সুরা রা’দ : আয়াত ১৬)


“ওয়াহিদ” শব্দটি আরবী ৪টি অক্ষর নিয়ে গঠিত। যার গাণিতিক মান ১৯।


ওয়া-‘و’    এর মান=৬,

আলিফ-‘ا’এর মান =,

হা-‘ح’      এর মান= ৮,

দাল-‘د’     এর মান=৪

_________________

  যোগফল              =১৯

রহস্যটা যদি এখানেই শেষ হয়ে যেতো!



১৭)

 “ওয়াহিদ” শব্দটি কোরআনে মোট ১৯ বার এসেছে।


রহস্যটা যদি এখানেই শেষ হয়ে যেতো!


১৮)

সুরা বাকারা ২:২১৩ অনুসারে, নবীদের কে  কিতাব দেওয়া হয়েছিল।

এছাড়াও,  সুরা ইমরান ৩:৮১ আয়াতে একই কথা বলা হয়েছে।


সুরা আন’য়াম ৬ আয়াত ৮৩-৮৬ এ মোট ১৮ জন নবীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।


১) ইব্রাহীম (এছাড়াও, সুরা মারঈয়াম ১৯:৪১ এবং সুরা সাফফাত ৩৭:১১২ এ নবী হিসেবে উল্লেখ রয়েছে)

২) ইসহাক (এছাড়াও, ১৯:৪৯ এবং ৩৭:১১২ আয়াতে নবী হিসেবে উল্লেখ রয়েছে)

৩) এয়াকুব (এছাড়াও, ১৯:৪৯)

৪) নূহ (এছাড়াও, ৩৩:৭)

৫) দাউদ (এছাড়াও, ১৭:৫৫)

৬) সোলায়মান

৭) আইউব

৮) ইউসুফ

৯) মূসা (এছাড়ও, ১৯:৫১ এবং ৩৩:৭)

১০) হারুন (এছাড়াও, ১৯:৫৩)

১১) যাকারিয়া

১২) ইয়াহিয়া (এছাড়াও, ৩:৩৯)

১৩) ঈসা (এছাড়াও, ১৯:৩০ এবং ৩৩:৭)

১৪) ইলিয়াস

১৫) ইসমাঈল (এছাড়াও, ১৯:৫৪)

১৬) ইয়াসা

১৭) ইউনূস

১৮) লূত

যদি আরোও ২জন নবীর নাম যুক্ত করা হয়-

১৯) ইদ্রীস (১৯:৫৬)

২০) মুহাম্ম্দ (৩৩:৪০ আয়াতে যাকে শেষ নবী হিসেবে নিশ্চিত করা হয়েছে )



সুরা সাফফাত ৩৭:১১৭ এবং সুরা আম্বিয়া ২১:৪৮ অুনসারে মূসা ও হারুণকে একই কিতাব দেয়া হয়েছিল।

সুতরাং ২০জন নবীকে ১৯টি কিতাব দেওয়া হয়েছিল।


"১৯তম" কিতাব "কোরআন" নবী মুহামম্মদ(সা:) কে দেওয়া হয়েছিল।

রহস্যটা যদি এখানেই শেষ হয়ে যেতো!


১৯)


ক্রমিক নং

কোরআনে নবী-রসূলদের নাম

নামের পুনরাবৃত্তি

মূসা

১৩৬ বার

ইব্রাহীম 

৬৯

 নূহ

৪৩

 লূত

২৭

ইউসুফ

২৭

আদম

 ২৫

ঈসা

২৫

হারুন

২০

ইসহাক

১৭

১০

সুলাইমান

১৭

১১

ইয়াকুব

১৬

১২

দাউদ

১৬

১৩

 ইসমাইল

১২

১৪

শোয়েব

 ১১

১৫

সালেহ

১৬

হুদ

১৭

 জাকারিয়া

১৮

 ইয়াহিয়া

১৯

মুহাম্মাদ/

আহমদ

 ৪+১=৫

২০

আইয়ুব

২১

ইউনূস

২২

 ইলিয়াস

২৩

ইদ্রিস

২৪

যুলকিফল

২৫

আল ইয়াসা

২৬

ওযাইর

 ১

২৭

 ধুন নুন

রহস্যটা যদি এখানেই শেষ হয়ে যেতো!

২০)

মৌলিক সংখ্যা পদ্ধতি (Basic Numeral System) ১,২,৩,৪,৫,৬,৭,৮,৯।

 শূন্যের(০) সঠিক এবং স্থায়ী অবস্থান নেই। শূন্য একসময়  ১-এর আগে এবং কিছুসময় ৯-এর পরে বসে।

আমাদের লক্ষ্য "প্রথম" এবং "শেষ" এর দিকে।

প্রথম .. ২৩৪৫৬৭৮ ..শেষ

মৌলিক সংখ্যা পদ্ধতরি (Basic Numeral System) জন্য প্রথমটি ১ এবং শেষটি ৯ হয়।

যখন আমরা দুটি সংখ্যা একসাথে রাখি তখন তারা ১৯ হয়ে যায়।


১৯ এর মূল হল ১, অর্থাৎ :-  

১৯=১+৯=১০, ১০=১+০=



[ সুরা হাদীদ ৫৭:৩ ]

তিনিই প্রথম(ا و لআওয়াল ), তিনিই সর্বশেষ( ا خ رআখির), তিনিই প্রকাশমান ও অপ্রকাশমান এবং তিনি সব বিষয়ে সম্যক পরিজ্ঞাত।


* ا و ل এর গাণিতিকমান ১+৬+৩০=৩৭, অর্থাৎ :-

৩৭=৩+৭=১০=১+০=


* ا خ ر এর গাণিতিকমান ১+৬০০+২০০=৮০১, অর্থাৎ :-

৮০১=৮+০+১=


*ا و ل  এর গাণিতিকমান ৩৭ এবং ا خ ر এর গাণিতিকমান ৮০১ যোগ করলে পাই ৩৭+৮০১=৮৩৮, অর্থাৎ :-

৮৩৮=৮+৩+৮=১৯


* সুরা নাম্বার এবং আয়াত কে ভাগ  করলে পাই,

৫৭/৩=১৯=১+৯=১০, ১০=১+০=


* সুরা নাম্বার এবং আয়াত কে গুন  করলে পাই,

৫৭ x ৩=১৭১=১+৭+১=



ক্রমিক

১০

১১

১২

১৩

১৪

১৫

১৬

১৭

১৮

১৯

বিজোড় সংখ্যা

 ৫

 ৭

 ৯

১১

 ১৩

১৫

১৭

১৯

২১

২৩

২৫

২৭

২৯

৩১

৩৩

৩৫

৩৭


* ১৯ তম বিয়োড় সংখ্যা হলো ৩৭ যা ا و ل (আওয়াল) এর গাণিতিকমানের সমান।

* ১+৩+৫+৭+৯+১১+১৩++১৫+১৭+১৯+২১+২৩+২৫+২৭+২৯+৩১+৩৩+৩৫+৩৭

   =৩৬১=১৯ x ১৯

* ৫৭:৩ এবং ৭৪:৩০ আয়াতদ্বয় একত্রে করলে হয়-

   ৫৭৩ ৭৪৩০= ১৯ x ৩০১৯৭০


ক্রমিক

১০

১১

১২

১৩

১৪

১৫

১৬

১৭

১৮

১৯

জোড় সংখ্যা


১০

১২

১৪

১৬

১৮

২০

২২

২৪

২৬

২৮

৩০

৩২

৩৪

৩৬

৩৮

ক্রমিক

২০

২১

২২

২৩

২৪

২৫

২৬

২৭

২৮

২৯

৩০

৩১

৩২

৩৩

৩৪

৩৫

৩৬

৩৭


জোড় সংখ্যা

৪০

৪২

৪৪

৪৬

৪৮

৫০

৫২

৫৪

৫৬

৫৮

৬০

৬২

৬৪

৬৬

৬৮

৭০

৭২

৭৪



* ৭৪ হলো ৩৭তম জোড় সংখ্যার ক্রমিক নং। আর ৭৪ হলো সুরা মুদ্দাসসিরের ক্রমিক নং।

* প্রথম(ا و لআওয়াল ) এর গাণিতিকমান ৩৭।


*২+৪+৬+৮+১০+১২+১৪+১৬+১৮+২০+২২+২৪+২৬+২৮+৩০+৩২+৩৪+৩৬+৩৮+৪০+৪২+৪৪+৪৬+৪৮+৫০+৫২+৫৪+৫৬+৫৮+৬০+৬২+৬৪+৬৬+৬৮+৭০+৭২+৭৪

=১৪০৬ = ১৯ x ৭৪


লক্ষনীয়,

১৯ ৭৪ হলো ১৯ সংখ্যার প্রথম আবিষ্কৃত সাল

১৯ হলো কোরআনের কোড।

৭৪ হলো সুরা মুদ্দাসসিরের ক্রমিক নং।




এছাড়াও,

১৪০৬ = ৩৭  x ৩৮

লক্ষনীয়,

৩৭তম বিয়োড় স্যখ্যা ১৯

৩৮তম জোড় সংখ্যা ১৯




কোরআনে  প্রাইম নং ১৯ দিয়ে আল্লাহ তার একত্ব (তৌহিদ) ঘোষণা করেছেন, এবং অন্যদিকে ইহা যে মানব এবং জিনের পক্ষে রচনা করা সম্ভব নয় তারও ইঙ্গিত দিয়েছেন।

কোরআনে বলা হচ্ছে- কিছু মানুষ বলবে “ইহা তো মানুষেরই কথা” (৭৪:২৫), এই কথা যারা বলে তাদের কথা যে সঠিক নয় তা ১৯ (৭৪:৩০) এর মালটিপল দিয়ে (যা মানবের বা জিনের পক্ষে সম্ভব নয়) কোরআন বিন্যস্ত করে আল্লাহ তাদের কথা ভুল প্রমান করে দিয়েছেন। 


কোরআন কোন অন্ধ বই নয়। 2x2=4, ২ কে ২ দিয়ে পূরণ করলে ৪ হয়। এখানে গল্প করে বানায়ে ৬ বলার কোন স্কোপ নেই। এ গাণিতিক ব্যাপারকে যে অস্বীকার করবে-সেই অন্ধ।


কুরআনে সূরা আল-মুদ্দাসিরের ৩০ নম্বর আয়াতে চ্যালেঞ্জ করে বলা আছে -১৯ সংখ্যাটি এর দায়িত্তে আছে । 

অর্থাৎ কেউ ইচ্ছা করলেই কুরআনকে বিকৃত করতে পারবে না । ১৯ এর বেপারগুলো হিসেব করলেই সব বের হয়ে আসবে এটাকে কেউ বিকৃত করেছে কিনা !


একটু চিন্তা করুন কেউ একটা বই লিখে সেই বইয়ের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে এমন একটা চ্যালেঞ্জ করতে পারবে?

আপনি অনেক প্রতিভাবান লেখক আপনি পারবেন শব্দ,বর্ণ,বাক্যের সংখ্যা নিয়ে এরকম একটা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে একটা বইলিখতে ?

সবই প্রমাণ করে কুরআন কোন মানুষের তৈরি কাকতালীয়ভাবে মিলে যাওয়া কোন বই না। 


এটা সৃষ্টিকর্তার নিজের কথা,বানী । একারণেই আদ্যবধি যেমন কুরআনবিকৃত হয়নি তেমনি কেয়ামতের আগ পর্যন্তও হবে না । মহাশক্তিধর আল্লাহ্‌নিজেই যে এর রক্ষক ।



 Screenshot-1 “ আল্লাহ এর দ্বারা কি বুঝাতে চেয়েছেন?” আরবি এই বাক্যটিতে মোট ১৯ টি অক্ষর  আছে।




Screenshot-2“ আল্লাহ এর দ্বারা কি বুঝাতে চেয়েছেন?” এই পর্যন্ত বর্ণনা করতে  আরবি শব্দ বসেছে ৩৮ টি



 Screenshot-3  "ইহার উপর" ( عَلَيْهَا) শব্দটি মোট শব্দ সংখ্যা ৯৫ টি




Screenshot-4 "আপনার পালনকর্তার বাহিনী সম্পর্কে একমাত্র তিনিই জানেন" এই বর্ণনার অংশটুকু ১৯ টি আরবি অক্ষরে তৈরী।









Created with the Personal Edition of HelpNDoc: Free PDF documentation generator