গোপন সূরার গোপন খবর:পর্ব-৯ম


৭৪:৩০ "ইহার উপর ১৯।"


১)


কোরআনের যে সুরার আয়াতগুলোতে সূর্য ও চন্দ্রকে একত্রে উল্লেখ করা হয়েছে-


ক্রমিক নং

সুরা

আয়াত

৯৬

 তিনি রাত্রিকে আরামদায়ক করেছেন এবং সূর্য ও চন্দ্রকে হিসেবের জন্য রেখেছেন। 

৫৪

তিনি সৃষ্টি করেছেন সূর্য, চন্দ্র ও নক্ষত্র দৌড় স্বীয় আদেশের অনুগামী।

১০

তিনিই সে মহান সত্তা, যিনি বানিয়েছেন সুর্যকে উজ্জল আলোকময়, আর চন্দ্রকে স্নিগ্ধ আলো বিতরণকারীরূপে এবং অতঃপর নির্ধারিত করেছেন

১২

সুর্যকে এবং চন্দ্রকে। আমি তাদেরকে আমার উদ্দেশে সেজদা করতে দেখেছি।

১৩

এবং সূর্য ও চন্দ্রকে কর্মে নিয়োজিত করেছেন। 

১৪

৩৩

এবং তোমাদের সেবায় নিয়োজিত করেছেন সূর্যকে এবং চন্দ্রকে সর্বদা এক নিয়মে এবং রাত্রি ও দিবাকে তোমাদের কাজে লাগিয়েছেন।

১৬

১২

তিনিই তোমাদের কাজে নিয়োজিত করেছেন রাত্রি, দিন, সূর্য এবং চন্দ্রকে

২১

৩৩

তিনিই সৃষ্টি করেছেন রাত্রি ও দিন এবং সূর্য ও চন্দ্র। সবাই আপন আপন কক্ষপথে বিচরণ করে।

২২

১৮

তুমি কি দেখনি যে, আল্লাহকে সেজদা করে যা কিছু আছে নভোমন্ডলে, যা কিছু আছে ভুমন্ডলে, সূর্য, চন্দ্র, তারকারাজি পর্বতরাজি বৃক্ষলতা, জীবজন্তু এবং অনেক মানুষ। 

১০

২৯

৬১

যদি আপনি তাদেরকে জিজ্ঞেস করেন, কে নভোমন্ডল ও ভূ-মন্ডল সৃষ্টি করেছে, সূর্য ও চন্দ্রকে কর্মে নিয়োজিত করেছে? তবে তারা অবশ্যই বলবে আল্লাহ।

১১

৩১

২৯

তিনি সূর্য ও চন্দ্রকে কাজে নিয়োজিত করেছেন।

১২

৩৫

১৩

তিনি সূর্য ও চন্দ্রকে কাজে নিয়োজিত করেছেন। 

১৩

৩৬

৪০

সূর্য নাগাল পেতে পারে না চন্দ্রের এবং রাত্রি অগ্রে চলে না দিনের প্রত্যেকেই আপন আপন কক্ষপথে সন্তরণ করে।

১৪

৩৯

এবং তিনি সুর্য ও চন্দ্রকে কাজে নিযুক্ত করেছেন প্রত্যেকেই বিচরণ করে নির্দিষ্ট সময়কাল পর্যন্ত।

১৫

৪১

৩৭

তাঁর নিদর্শনসমূহের মধ্যে রয়েছে দিবস, রজনী, সূর্য ও চন্দ্র। 

১৬

৪১

৩৭

তোমরা সূর্যকে সেজদা করো না, চন্দ্রকেও না; আল্লাহকে সেজদা কর, যিনি এগুলো সৃষ্টি করেছেন, যদি তোমরা নিষ্ঠার সাথে শুধুমাত্র তাঁরই এবাদত কর।

১৭

৫৫

সূর্য ও চন্দ্র হিসাবমত চলে।

১৮

৭১

১৬

এবং সেখানে চন্দ্রকে রেখেছেন আলোরূপে এবং সূর্যকে রেখেছেন প্রদীপরূপে।

১৯

৭৫

 ৯

এবং সূর্য ও চন্দ্রকে একত্রিত করা হবে


* কোরআনে মোট ১৯ বার সূর্য ও চন্দ্রকে একত্রে উল্লেখ করা হয়েছে


* সুরা ও আয়াতগুলো যোগফল (৬+৯৬+৭+৫৪+১০+৫+১২+৪+১৩+২+১৪+৩৩+১৬ +১২+২১ +৩৩+২২+১৮+২৯+৬১+৩১ +২৯+৩৫ +১৩+৩৬+৪০+৩৯+৫+৪১+৩৭+৪১+৩৭+৫৫+৫+৭১ +১৬+৭৫+৯)=১০৮৩=১৯*৫৭=১৯*১৯*৩


বিজ্ঞানও বলছে, এই ১৯ এর সাথে সূর্য ও চন্দ্রের একটা গভীর সর্ম্পক রয়েছে। জানতে হলে পড়ে নিন-

https://en.wikipedia.org/wiki/Metonic_cycle




২)


কোরআনের যে সুরার আয়াতগুলোতে বছর শব্দ উল্লেখ করা হয়েছে-


ক্রমিক নং

সুরার আয়াত

তাদের প্রত্যেকে কামনা করে, যেন হাজার বছর আয়ু পায়। অথচ এরূপ আয়ু প্রাপ্তি তাদেরকে শাস্তি থেকে রক্ষা করতে পারবে না। আল্লাহ দেখেন যা কিছু তারা করে।

সুরা বাকারা ২:৯৬ ]

বললেনঃ এ দেশ চল্লিশ বছর পর্যন্ত তাদের জন্যে হারাম করা হল। তারা ভুপৃষ্ঠে উদভ্রান্ত হয়ে ফিরবে। অতএব, আপনি অবাধ্য সম্প্রদায়ের জন্যে দুঃখ করবেন না।

সুরা মায়েদা ৫:২৬ ]

আমরা ফেরাউনের সম্প্রদায়কে বছরের পর বছর এবং অনাবৃষ্টি দিয়েছি; যাতে তারা উপদেশ গ্রহণ করে।

সুরা আরাফ ৭:১৩০ ]

এবং অতঃপর নির্ধারিত করেছেন এর জন্য মনযিল সমূহ, যাতে করে তোমরা চিনতে পার বছরগুলোর সংখ্যা ও হিসাব। আল্লাহ এই সমস্ত কিছু এমনিতেই সৃষ্টি করেননি, কিন্তু যথার্থতার সাথে। তিনি প্রকাশ করেন লক্ষণসমূহ সে সমস্ত লোকের জন্য যাদের জ্ঞান আছে।

 [ সুরা ইউনুস ১০:৫ ]

যে ব্যক্তি সম্পর্কে ধারণা ছিল যে, সে মুক্তি পাবে, তাকে ইউসুফ বলে দিলঃ আপন প্রভুর কাছে আমার আলোচনা করবে। অতঃপর শয়তান তাকে প্রভুর কাছে আলোচনার কথা ভুলিয়ে দিল। ফলে তাঁকে কয়েক বছর কারাগারে থাকতে হল।

সুরা ইউসুফ ১২:৪২ ]

বললঃ তোমরা সাত বছর উত্তম রূপে চাষাবাদ করবে। অতঃপর যা কাটবে, তার মধ্যে যে সামান্য পরিমাণ তোমরা খাবে তা ছাড়া অবশিষ্ট শস্য শীষ সমেত রেখে দেবে।

সুরা ইউসুফ ১২:৪৭ ]

এবং যাতে তোমরা স্থির করতে পার বছরসমূহের গণনা ও হিসাব এবং আমি সব বিষয়কে বিস্তারিত ভাবে বর্ণনা করেছি।

সুরা বনী-ইসরাঈল ১৭:১২ ]

তখন আমি কয়েক বছরের জন্যে গুহায় তাদের কানের উপর নিদ্রার পর্দা ফেলে দেই।

সুরা কা’হফ ১৮:১১ ]

তাদের উপর তাদের গুহায় তিনশ বছর, অতিরিক্ত আরও নয় বছর অতিবাহিত হয়েছে।

সুরা কা’হফ ১৮:২৫ ]

১০

অতঃপর তুমি কয়েক বছর মাদইয়ান বাসীদের মধ্যে অবস্থান করেছিলে; হে মূসা, অতঃপর তুমি নির্ধারিত সময়ে এসেছ।

সুরা ত্বা-হা ২০:৪০ ]

১১

আপনার পালনকর্তার কাছে একদিন তোমাদের গণনার এক হাজার বছরের সমান।

সুরা হাজ্জ্ব ২২:৪৭ ]

১২

আল্লাহ বলবেনঃ তোমরা পৃথিবীতে কতদিন অবস্থান করলে বছরের গণনায়?

সুরা মু’মিনুন ২৩:১১২ ]

১৩

ফেরাউন বলল, আমরা কি তোমাকে শিশু অবস্থায় আমাদের মধ্যে লালন-পালন করিনি? এবং তুমি আমাদের মধ্যে জীবনের বহু বছর কাটিয়েছ।

সুরা শু’য়ারা ২৬:১৮ ]

১৪

আপনি ভেবে দেখুন তো, যদি আমি তাদেরকে বছরের পর বছর ভোগ-বিলাস করতে দেই,

সুরা শু’য়ারা ২৬:২০৫ ]

১৫

তিনি তাদের মধ্যে পঞ্চাশ কম এক হাজার বছর অবস্থান করেছিলেন। অতঃপর তাদেরকে মহাপ্লাবণ গ্রাস করেছিল। তারা ছিল পাপী।

সুরা আনকাবুত ২৯:১৪ ]

১৬

কয়েক বছরের মধ্যে। অগ্র-পশ্চাত তের কাজ আল্লাহর হাতেই। সেদিন মুমিনগণ আনন্দিত হবে।

সুরা রূম ৩০:৪ ]

১৭

তিনি আকাশ থেকে পৃথিবী পর্যন্ত সমস্ত কর্ম পরিচালনা করেন, অতঃপর তা তাঁর কাছে পৌছবে এমন এক দিনে, যার পরিমাণ তোমাদের গণনায় হাজার বছরের সমান।

সুরা সাজদা ৩২:৫ ]

১৮

অবশেষে সে যখন শক্তি-সামর্থ বয়সে ও চল্লিশ বছরে পৌছেছে, তখন বলতে লাগল, হে আমার পালনকর্তা, আমাকে এরূপ ভাগ্য দান কর, যাতে আমি তোমার নেয়ামতের শোকর করি, যা তুমি দান করেছ আমাকে ও আমার পিতা-মাতাকে এবং যাতে আমি তোমার পছন্দনীয় সৎকাজ করি। আমার সন্তানদেরকে সৎকর্মপরায়ণ কর, আমি তোমার প্রতি তওবা করলাম এবং আমি আজ্ঞাবহদের অন্যতম।

সুরা আহক্বাফ ৪৬:১৫ ]

১৯

ফেরেশতাগণ এবং রূহ আল্লাহ তা'আলার দিকে উর্ধ্বগামী হয় এমন একদিনে, যার পরিমাণ পঞ্চাশ হাজার বছর

সুরা মা’য়ারিজ ৭০:৪ ]




Created with the Personal Edition of HelpNDoc: Free help authoring tool