18:90(সূর্যের উদয়ের স্থলে)

Parent Previous Next

১৮:৯০ নং আয়াত -সেখানে অন্য আরেক জাতির কথা বলা আছে যারা সূর্যের উদয়ের স্থলে বসবাস করে এবং যাদের সূর্যের তাপ থেকে রক্ষা পাবার উপায় নেই?


জবাব:

(১৮:৯০) অর্থ- অতঃপর তিনি যখন সূর্যোদয়ের স্থানে পৌঁছলেন, তিনি এটিকে (সূর্যকে) এমন এক জনগোষ্ঠীর উপর উদয় হতে দেখলেন যাদের জন্য আমরা (আল্লাহ-সম্মান সূচক) এর (সৌররশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব) থেকে আত্মরক্ষার জন্য কোন আবরণ বা নিরাপদ আশ্রয় বা রক্ষাকারী বস্তু পরিগঠন করে দেইনি,- {এই আয়াতে "সিত্তারা"(سِتْرًا)এই আরবী শব্দটি তিনটি অর্থে ব্যবহৃত হতে পারে – Covering-আবরণ, Shelter-নিরাপদ আশ্রয়, Protection-রক্ষাকারী বস্তু বা ব্যক্তি )}


বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার ও ভূবিজ্ঞানের মাধ্যমে আমারা জানতে পারি যে,

Direction of Sunrise and Sunset-

On the December solstice, sunrise and sunset between Antarctic Circle and Arctic Circle is at some point between south-east and south-west.

Solstice conditions at the poles- The sun's path follows a horizontal circle, remaining parallel with the horizon throughout the day. The path is spiral. The shadow of an object on December solstice would always point due north no matter what the hour of the day.

Solstice and Equinox-

Summer Solstice- On June 21 or 22, the North Pole end of its axis leans at the maximum angle 23.5 degrees toward the sun.

Winter Solstice- On December 21 or 22, the southern hemisphere tipped toward the sun. Circle of illumination tangent to the arctic and antarctic circles.

Vernal Equinox- March 20 or 21. Autumnal Equinox- September 22 or 23.


সূর্য বছরে দুবার অর্থাৎ মার্চ মাসের ২০ বা ২১ তারিখে ও সেপ্টেম্বর মাসের ২২ বা ২৩ তারিখে সম্পূর্ণ পূর্ব দিক থেকে উদিত হয়। এ সময় সূর্য-রশ্মি বিষুরেখা বরাবর অর্থাৎ মধ্যক্রান্তির উপর দিয়ে বাহিত হয়। এরপর উদয়স্থল পরিবর্তন হয় অর্থাৎ সম্পূর্ণ পূর্ব থেকে সরে গিয়ে বাকি দিনগুলোতে সূর্যকে কিছুটা উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব দিকের বিভিন্ন স্থান থেকে উদিত হতে দেখা যায়। গ্রীষ্মকালে ২১ বা ২২ জুন তারিখে সূর্যকে পূর্বের একপ্রান্ত থেকে উদিত হতে দেখা যায়। এ সময় সূর্য-রশ্মি মূলত কর্কটক্রান্তি (Tropic of Cancer) বরাবর বাহিত হয়। আবার শীতকালে ডিসেম্বর মাসের ২১ বা ২২ তারিখে সূর্যকে পূর্বের আরেক প্রান্ত থেকে উদিত হতে দেখা যায়। এ সময় সূর্য-রশ্মি মূলত মকরক্রান্তি (Tropic of Capricorn) বরাবর বাহিত হয়। পৃথিবীর বিভিন্ন স্থান থেকে যে কোন জনগোষ্ঠির মানুষ সূর্যোদয়ের এ দৃশ্য দেখতে পারে। একটি দেশের যে কোন এলাকা থেকে বিশেষ করে উঁচু স্থান থেকে পূর্বদিকে নজর রাখলেই বছরের বিভিন্ন সময়ে সূর্যের উদয়স্থল ও গতিপথের এই পরিবর্তন লক্ষ করা যায়।

সূর্যোদয়ের পর সূর্যরশ্মির বিচ্ছুরণে যেমন চারদিক মুখরিত ও কর্মচঞ্চল হয়ে ওঠে, সকল প্রাণীকুল সূর্যের সু-রশ্মি থেকে শক্তি সঞ্চয় কোরে সুশোভিত ও বিকশিত হয়। অপরদিকে তেমনি কোন দেশ বা অঞ্চলের বায়ুমন্ডলের স্ট্রেটোস্ফেয়ারে যদি ভাল-ওজন(অণু)স্তরের ঘাটতি বা শুন্যতা থাকে তবে সূর্যের কু-রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব থেকে আত্মরক্ষা করা খুবই কঠিন হয়ে পড়ে।


[ The photochemical mechanisms that give rise to the ozone layer were discovered by the British physicist (Sidney Chapman ) in 1930. Ozone in the earth's stratosphere is created by ultraviolet light striking oxygen molecules containing two oxygen atoms (O2), splitting them into individual oxygen atoms (atomic oxygen); the atomic oxygen then combines with unbroken O2 to create ozone, O3. The ozone molecule is also unstable (although, in the stratosphere, long-lived) and when ultraviolet light hits ozone it splits into a molecule of O2 and an atom of atomic oxygen, a continuing process called the ozone-oxygen cycle, thus creating an ozone layer in the stratosphere, the region from about 10 to 50 km (32,000 to 164,000 feet) above Earth's surface. About 90% of the ozone in our atmosphere is contained in the stratosphere.

Ozone molecules absorb the harmful UV-B rays from our Sun. This protects us from radiation that can cause skin cancer and other severe skin problems. In places like Australia it is not safe to lie in the sun for more than 10 min. Increasing UV-B also causes increased mutation and decreases crop yields.

The ozone layer protects all life on land and at the surface of the ocean. Ozone absorbs UV-B, which will pass through skin, etc. and directly attack DNA.

Skin cancer is caused predominantly by rays from the sun. Ultraviolet radiation (UVR) beats down on the skin to alter the DNA of a skin cell.

There are three main types of the skin cancer. Basal Cell Carcinomas (BCC) are the most common type of skin cancer. The Squamous Cell Carcinoma (SCC) is the second most predominant type of skin cancer.

The last and most dangerous of skin cancers, also the least common, is the malignant melanoma. These occur as moles or sunspots and will grow in size. The melanoma is a mutation of healthy cells in the skin and the deeper they sit in the epidermis (upper layers of skin), the harder they are to treat.

These will keep producing mutated cells (the cancer) and, in time, can pass through your circulatory system and spread the cancer to other organs, such as the liver. This is what will eventually kill you.]



আমরা জেনেছি যে সূর্য থেকে বিচ্ছুরিত কু-রশ্মিগুলোর মধ্যে অত্যন্ত ক্ষতিকর আল্ট্রাভায়লেট-বি রশ্মির প্রভাবে ত্বকের ক্যান্সার হয় এবং ত্বক কোষের ডিএনএ মিউটেশন বা রূপান্তর ঘটে। ফলে বংশ পরম্পরায় সেই ক্ষতির প্রভাব চলতে থাকে অর্থাৎ সন্তান-সন্ততির মধ্যেও ত্বকের ক্যান্সার হবার প্রবণতা বেড়ে যায়। তাছাড়া রোদে পোড়া ঘা/দাগ বা লাল ফোস্কা হয়, চোখের সমস্যা হয় এবং ফসল উৎপাদনেও ঘাটতি হতে দেখা যায়। এ কারণেই বর্তমানে অষ্ট্রেলিয়ায় একনাগারে দশ মিনিটের বেশি সময় ধরে সরাসরি সূর্য-রশ্মির সংষ্পর্শে থাকাকে অত্যন্ত বিপদজনক বলে ঘোষণা দেয়া হয়েছে।


[You may think that a hole in the ozone layer over Antarctica isn’t too important – after all, no-one lives there apart from research station staff. However, the polar vortex traps ozone depleted air over the Antarctic in spring and every year, when this breaks up the ozone depleted air moves to nearby countries. These include Australia, New Zealand, Argentina and Chile and if, as many scientists believe, the North Pole begins to see more frequent polar stratospheric clouds in the future then this would cause severe ozone depletion over Alaska, Canada and parts of northern Europe.]




আমারা জেনেছি যে, কু-মেরু অর্থাৎ দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে "ওজন-হোল" (Antarctic Ozone Hole) সৃষ্টি হয়েছে। তাছাড়া প্রতি বছর বিশেষ করে বসন্তকালে মেরু-ঘূর্ণিবর্তে বন্দি ওজন-শুন্য বাতাস কু-মেরু অর্থাৎ দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে জমা হয় এবং পরবর্তী সময়ে তা ভেঙে গিয়ে সেখান থেকে সেই ওজন(অণু)-শুন্য বাতাস নিকটবর্তী দেশগুলোর দিকে বাহিত হয়। আর এ কারণে নিউজিল্যান্ড, আর্জেন্টিনা, চিলি এবং বিশেষ করে অষ্ট্রেলিয়ায় ত্বকের ক্যান্সারের সর্বোচ্চ হার পরিলক্ষিত হয়। শুধু তাই নয়, অনেক বিজ্ঞানীর মতে সু-মেরু অর্থাৎ উত্তর মেরু অঞ্চলেও ভবিষ্যতে মারাত্মক ওজন শুন্যতা বা ঘাটতি দেখা দিতে পারে। এর ফলে আলাস্কা, ক্যানাডা ও উত্তর ইউরোপের কিছু এলাকায় এর ক্ষতিকর প্রভাব পড়বে।

[Australia receives a lot more UV radiation than the UK. It is closer to the sun than Europe during the summer, increasing the intensity of UV exposure by around 7%. Coupled with its clearer atmospheric conditions, this means that people living in Australia face up to 15% more solar radiation than we do.]


আমরা জেনেছি যে, যুক্তরাজ্য অপেক্ষা অষ্ট্রেলিয়া অনেক বেশি পরিমাণে সৌর-রশ্মি বিচ্ছুরণের কবলে পড়ে। কারণ গ্রীষ্মকালে ইউরোপ অপেক্ষা অষ্ট্রেলিয়া সূর্যের অতি নিকটে থাকে এবং সেইসাথে সেখানকার বায়ুমন্ডলে ওজন-শুন্যতা বা ঘাটতি থাকায় অষ্ট্রেলিয়ার অধিবাসীদেরকে অধিক হারে সৌর তেযষ্কৃয়তার সম্মুখিন হতে হয়। সুতরাং ১৮:৯০ নং আয়াতে সূর্যোদয়ের এমন এক স্থনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে যে, যুলকারনাইন সেখানকার অধিবাসীদের উপর উদিত সূর্যের রশ্মি প্রখরভাবে বিচ্ছুরিত হতে দেখলেন। সম্ভবত সেই সময় এলাকাটি সূর্যের অতি নিকটে থাকায় এমনটি ঘটেছিল। শুধু তাই নয়, সেই সময় মহান আল্লাহতায়ালা সূর্যের কু-রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সেই এলাকার মানুষকে রক্ষার জন্য অর্থাৎ তাদের নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য রক্ষাকারী বস্তু দ্বারা যে কোন আবরণ পরিগঠন করে দেননি আলোচ্য আয়াতে এ বিষয়টিও উল্লেখ করেছেন। এখন মনে প্রশ্ন আসতে পারে- কি সেই বিশেষ রক্ষাকারী বস্তু বা আবরন বা নিরাপদ আশ্রয় যা ভাল সৌর-শক্তিকে নয়, বরং যে সমস্ত সৌর-রশ্মি জীবজগতের জন্য ক্ষতিকর সেগুলোকে বাধা দেয়?


[The ozone layer is a layer in Earth's atmosphere which contains relatively high concentrations of ozone (O3). This layer absorbs 93-99% of the sun's high frequency ultraviolet light, which is potentially damaging to life on earth.[1] Over 91% of the ozone in Earth's atmosphere is present here.[1] It is mainly located in the lower portion of the stratosphere from approximately 10 km to 50 km above Earth, though the thickness varies seasonally and geographically.[2] The ozone layer was discovered in 1913 by the French physicists Charles Fabry and Henri Buisson. Its properties were explored in detail by the British meteorologist G. M. B. Dobson, who developed a simple spectrophotometer (the Dobsonmeter) that could be used to measure stratospheric ozone from the ground. Between 1928 and 1958 Dobson established a worldwide network of ozone monitoring stations which continues to operate today. The "Dobson unit", a convenient measure of the total amount of ozone in a column overhead, is named in his honor.]

[The Royal Netherlands Meteorological Institute (KNMI) is using instruments on several satellites to follow the evolution of ozone around the planet. The gas comes in two flavours. On the one hand, at an altitude of 20-30 kilometers, natural ozone provides a protective layer, absorbing the Sun's harmful ultra-violet radiation. This 'good' ozone protects us from sunburn, skin cancer and eye problems.

প্রকৃত অর্থে (১৮:৯০) নং আয়াতে এই একটি শব্দের ( سِتْرًا )তিনটি অর্থের ( Covering- আবরণ, Shelter- নিরাপদ আশ্রয়, Protection- রক্ষাকারী বস্তু) মাধ্যমে মহান স্রষ্টা আল্লাহতায়ালা সবগুলো বৈশিষ্ট্যকেই কত সুন্দরভাবেই না বুঝিয়ে দিয়েছেন। এখানে সেই রক্ষাকারী বস্তু বলতে ভাল-ওজনঅণু {'good' ozone molecules (O3)}, আবরণটি হলো "রক্ষাকারী বস্তু অর্থাৎ ভাল-ওজনঅণু দ্বারা পরিগঠিত স্তর " ( 'good' ozone/ natural ozone provides a protective layer ) এবং নিরাপদ আশ্রয় বলতে ভূমন্ডলের যে সমস্ত এলাকা ভাল-ওজনঅণু দ্বারা পরিগঠিত স্তর বা আবরণের মধ্যে আছে সেটাকেই বোঝান হয়েছে।


[The Royal Netherlands Meteorological Institute (KNMI) is using instruments on several satellites to follow the evolution of ozone around the planet. "The data from this instrument allows us to calculate the amounts of ozone from day to day," explains Dr Henke Eskes, atmospheric scientist at KNMI. "The coverage maps we obtain show the great variability of the ozone layer and we can precisely track the evolution of the ozone hole above the South Pole."]

এর মাধ্যমে আল্লহতায়ালা আমাদেরকে এই জ্ঞানও দিতে চেয়েছেন যে, তিনি এই ভূমন্ডলের চুতুর্দিকে বেশির ভাগ এলাকাকে সূর্যের খারাপ রশ্মি থেকে রক্ষার জন্য ভাল-ওজন(অণু) সমৃদ্ধ ('good' ozone/natural ozone layer) এক বিশেষ ধরনের আবরন বা স্তর বানিয়ে আবৃত করে রেখেছেন। তেমনি আবার কোন কোন এলাকার উপরে যে সেই ভাল-ওজন স্তরের ঘাটতি বা শুন্যতাও [evolution of the ozone hole above the South Pole] রেখেছেন- এই বিষয়টিও তিনি ওহীর মাধ্যমে জানিয়ে দিয়েছেন।


[The "ozone hole" is a loss of stratospheric ozone in springtime over Antarctica, peaking in September. The ozone hole area is defined as the size of the region with total ozone below 220 Dobson units (DU). Dobson Units are a unit of measurement that refer to the thickness of the ozone layer in a vertical column from the surface to the top of the atmosphere, a quantity called the "total column ozone amount." Prior to 1979, total column ozone values over Antarctica never fell below 220 DU.]


এই ভাল-ওজন স্তরের শুন্যতা বা ঘাটতি আছে বলেই মানুষেরা বিশেষ করে সেই সমস্ত এলাকার অধিবাসিরা যারা ভাল-ওজন স্তর বা আবরণের শুন্যতা বা ঘাটতি জনিত বিপদের সম্মুখিন হচ্ছে তারা এর মর্ম হারে হারে উপলব্ধি করতে পারছে । সুতরাং এ থেকে আমরা বুঝে নিতে পারি যে, যুলকারনাইনের যুগেও যেমন কিছু কিছু এলাকায় ভাল ওজন সমৃদ্ধ স্তরের ঘাটতি ছিল, তেমনি এখনও তা আছে। সেই সঙ্গে বায়ুমন্ডোলের ট্রোপস্ফেয়ারে মানুষের দ্বারা খারাপ-ওজনের পরিমাণ ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাওয়ায় "ওজন-হোল" (Ozone-hole) এর আকারও ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে।


[The hole has been proven to be a result of human activities--the release of huge quantities of chlorofluorocarbons (CFCs) and other ozone depleting substances into the atmosphere.

The 'good' ozone is under attack from man-produced species containing chlorine and bromine. Amongst these are the famous CFCs, Chlorofluorocarbons, which were used for instance in refrigerators, spray cans and foams. These CFCs greatly contributed to eating away the natural ozone.

("bad" ozone is an air pollutant that damages human health, vegetation and many common materials. It is a key ingredient of urban smog)

On the other hand, under the influence of sunlight, nitrogen oxides and hydrocarbons create toxic ozone on Earth's surface. This 'bad' ozone, part of air pollution or smog, may pose a particular health threat to those who already suffer from respiratory problems such as asthma, emphysema and chronic bronchitis.]


আর ভাল ওজন সমৃদ্ধ স্তরের ঘাটতি আছে বলেই মানুষ নানা রকম রোগ-ব্যাধিতে আক্রান্ত হচ্ছে এবং স্বাস্থ্যগত সমস্যাগুলো যে ক্রমান্বয়ে আরও জটিল রূপ ধারন করছে তা বলার অপেক্ষা রাখেনা। এ কারণেই পূর্বের আয়াতগুলোতে (১৮:৮৭ ও ১৮:৮৮) প্রথমত সকল প্রকার অসৎকর্মের জন্য (ইহকালীন ও পরকালীন) শাস্তিভোগের সংবাদ দিয়ে সাবধান করা হয়েছে এবং সৎকর্মের প্রতি আহ্বান জানানোর পাশাপাশি (ইহকালীন ও পরকালীন) উত্তম প্রতিদানেরও সংবাদ দেয়া হয়েছে। এখানে অসৎকর্ম ও সৎকর্ম বলতে প্রাত্যহিক জীবনের আচার আচরণ থেকে শুরু করে নিজের তথা সকল সৃষ্টিকুলের জন্য যা যা অকল্যাণকর সেই সব মন্দ কর্মকে বর্জন ও যা যা কল্যাণকর সেই সকল ভাল কর্ম সম্পাদনের প্রতিই ইংগিত দেয়া হয়েছে। সেই সাথে (১৮:৯০) নং আয়াতে উদিত সূর্যের বিচ্ছুরিত আলোকরশ্মি থেকে আত্মরক্ষার জন্য যে আল্লাহ প্রদত্ত বিশেষ আবরণের প্রয়োজন রয়েছে তার উল্লেখ রয়েছে।


[In Europe at the moment, experts are more concerned about the effects of global warming and the health implications for us from “bad” ozone within the troposphere than the levels of stratospheric ozone.]

সুতরাং (১৮:৯০) নং আয়াতে এর সাথে পূর্বের দুটি (১৮:৮৭) ও (১৮:৮৮) নং আয়াতের বক্তব্য সম্পর্কে একটু চিন্তা ও পর্যালোচনা করলে সহজেই বুঝে নেয়া যায় যে, জীব জগতের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য আল্লাহ প্রদত্ত ভাল-ওজন সমৃদ্ধ স্তর বা আবরণটি যেন মানুষের কর্মের কারণে সৃষ্ট খারাপ-ওজন দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেই উদ্দেশ্যে সৎকর্ম করার জন্য অর্থাৎ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রতিই এখানে বিশেষভাবে ইংগিত দেয়া হয়েছে।


কোরান যদিও বিজ্ঞানের বই নয় , তবে বিশ্বাস করি , বিজ্ঞানের অগ্রগতি কোরানের অনেক আয়া্তকে বুঝতে সাহায্য করে। যেহেতু আমাদের জ্ঞান সীমিত, তাই সম্ভব নয় কোরানের সব কিছুর ব্যখ্যা আমরা দিতে পারব। কোরানের অনেক কিছুই আপাতদৃষ্টে অসম্ভব মনে হতে পারে , যার ব্যখ্যা হয়ত ভবিষ্যত প্রজন্ম দিতে পারবে , যেমন এখন আমরা ১৪০০ বছর আগের তুলনায় অনেক বেশি কোরানের কিছু আয়াত বুঝতে পারি।

Created with the Personal Edition of HelpNDoc: Free help authoring environment