কাবা ঘরে পূজা

Parent Previous Next

আল্লাহ মুর্তি পুজা হারাম বা শিরক হিসেবে ঘোষণা করেছেন? মুর্তি জড় বস্তু এতে কোন প্রানের স্পন্দন নেইতাহলে কাবা ঘরে স্থাপিত ওই চর্তুভূজ কালো ডিব্বার ভিতরে কি প্রানের স্পন্দন রয়েছে, আর তাহার প্রমাণ কি??


জবাব :

মানুষ তো কাবা ঘরের পূজা করেনা! তারা যখন কাবা ঘরকে সামনে নিয়ে সেজদা করে, তখনই তারা বলে যে, ‘ফালইয়া বুদু রাব্বা হাজাল বাইত’ আমরা এই ঘরের মালিকের পূজা করছি।


কা’বা মুসলমানদের ‘কেবলা’। মুসলমানরা তাদের প্রার্থনায় দিক নির্দেশক হিসেবে গণ্য করে। এখানে লক্ষ্য করার মতো বিষয় হলো,মুসলমানরা তাদের প্রার্থনায় কা’বার দিকে মুখ করে বটে তবে তারা কাবা ঘরের উপাসনা করে না। উপাসনা করে সেই ঘরের মালিক অদৃশ্য আল্লাহ তা‘আলার। জ্যোতীর্ময় কুরআনে বলা হয়েছেঃ


তোমার (নির্দেশনার জন্য) বার বার আকাশের দিকে করে তাকানো আমরা দেখেছি। এখন আমরা কি তোমাকে ঘুরিয়ে দেব সেই কেবলার দিকে যা তোমাকে সন্তুষ্ট করবে? তাহলে ঘুরিয়ে নাও তোমরা থাকনা কেন (নামাযে) তার দিকেই মুখ ফিরিয়ে নেবে।


ইসলাম চূড়ান্ত ঐক্যকে উৎসাহিত করে


যেমন, মুসলমানরা যদি নামায আদায় করতে চায় তাহলে এমনটা হতেই পারে যে, কারো ইচ্ছা হবে উত্তর দিকে ফিরে নামায পড়তে,কারো ইচ্ছা হবে দক্ষিণ দিকে দিকে ফিরতে। তাই উপাসনার ক্ষেত্রেও মুসলমানদের চূড়ান্তভাবে ঐক্যবদ্ধ করার জন্য যেখানেই তারা থাকনা কেন এক আল্লাহর প্রতি এক মুখী হয়ে তাদের নামায আদায় করতে বলা হয়েছে। ‘কাবা’ সেই একটি দিকের দিক-নির্দেশক,অন্য কিছুই নয়। কাবার পশ্চিমাঞ্চলে যে মুসলমানরা বাস করে তারা মুখ করবে পূর্ব দিকে আর তার পূর্বাঞ্চলে যারা বাস করে তারা মুখ করবে পশ্চিম দিকে। একইভাবে উত্তরাঞ্চলের লোকেরা দক্ষিণ দিকে আর দক্ষিণাঞ্চলের লোকেরা উত্তর দিকে।


Created with the Personal Edition of HelpNDoc: Full-featured Documentation generator