খায়বার যুদ্ধে নারীদের ভাগ’বাটোয়ারা করা

Parent Previous Next

খায়বার যুদ্ধে ইদুহিদেরকে হত্যা করে বহু নারীদের বন্দি করা হয় । তখন নারীদের ভাগ’বাটোয়ারা করা হয় এবং গনিমতের মাল হিসেবে মোহাম্মদ সাফিয়াকে ভাগে পান, সেদিন তার সাথে রাত কাটিয়ে পরে তাকে বিয়ে করেন। প্রশ্ন হল গায়ের জোর খাটিয়ে আরেক জনের স্ত্রী’কে দখল করে বিয়ে এটাকে আপনারা কোন দৃষ্টিতে দেখেন?


জবাব :

তখনকার দুনিয়ার সমাজ ব্যবস্থায় বর্তমানের মত কোন কারাগার প্রথা ছিলনা এবং বন্ধীদের কোন খাদ্য-বস্ত্র দেবার প্রচলন ছিলনা। বন্দিদের পায়ে শিকল পরানো থাকত। তারা শিকল পড়ে মানুষের দুয়ারে ভিক্ষা করত। প্রথমত তারা অপরাধী দ্বিতীয়ত বন্ধী তাই তাদের প্রতি কেউ সহমর্মীতা দেখাত না এমনকি পানি দিয়েও উপকার করত না। নারীদের বেলায় ছিল আরো করুন। এসব নারীকে উচ্ছন্নে যাওয়া বালকেরা রাতদিন পথে ঘাটে ধর্ষণ করত। পেটে খাদ্য নাই তার উপর থাকত কঠিন উৎপীড়ন!


মুসলমানেরা এসব বন্ধীদের জীবন বদলিয়ে দিতে এগিয়ে আসে। বন্ধীরা কোন উপকার করেনি যে, তাদের বসিয়ে বসিয়ে খাওয়াবে! আবার মেরে ফেলার ব্যবস্থাও করেনি। বন্ধীদেরকে ভাগ করে বাড়িতে নিয়ে যেত এবং খাদ্য খাইয়ে জীবন বাঁচাত। বন্ধীদের কেউ অর্থের বিনিময়ে মুক্তি পেত, অনেকে অশিক্ষিতকে শিক্ষিত করার বিনিময়ে মুক্তি পেয়েছে।


ইসলামে বিয়ে করার জন্য অন্যতম রীতি ছিল কন্যাকে রাজী থাকতে হবে। রাজী ব্যতীত কাউকে জোড় করে বিয়ে করা যায়না। রাসুল (সাঃ) সকল জীবিত শ্বশুরেরা মুসলমান হয়েছিলেন সেই ইহুদি কন্যার পিতা সহ। তাছাড়া রাসুলের ইন্তেকালের পরে সেই স্ত্রী জীবিত ছিলেন তিনি কোনদিন দাবী করেন নি যে, তাকে জোড় করে বিয়ে করা হয়েছে।

Created with the Personal Edition of HelpNDoc: Single source CHM, PDF, DOC and HTML Help creation