কালোজিরা মৃত্যু ব্যাতিত

Parent Previous Next

মোহাম্মদ বলেছেন কালোজিরা মৃত্যু ব্যাতিত (বার্ধক্য জনিত) রোগ ছারা সকল রোগ সারাতে পারে। এছারা আছে উটের মুত্র মেডিসিন, মাছির পাখায় রোগের প্রতিকার। তাহলে মোহাম্মদ এর আবিস্কৃত ঔষধ দিয়ে চিকিৎসা না করে, কেন ইদুহি,খৃষ্টান, কাফেরদের তৈরি চিকিৎসা পদ্ধতি মুসলমানরা ব্যাবহার করছে?


জবাব :

কালো জিরা, মাছির ঘটনা, এগুলো ঔষধ নয়, এটা হল প্রতিষেধক। প্রতিষেধকের মর্ম হল, করলে ভাল থাকবেন, না করলে মরবেন না।


বর্তমান বিজ্ঞান সেটার স্বীকৃতি দেয়। আরবের এক বেদুইন অঞ্চলে প্রচণ্ড গরমে প্রতি বছর বহু মানুষ পাগল হয়ে যেত, ঠাণ্ডা না আসা পর্যন্ত এই রোগ ভাল হতনা। তারা মুসলমান হলে পর এক বেদুইন প্রশ্ন করেছিল এখন তো আমরা ভাল আছি কোরআনের কথা মেনে চলব কিন্তু পাগল হবার পরে কি হবে? ঘটনাটি রাসুল (সাঃ) শুনে বললেন, তোমাদের রোগের ঔষধ উঠের মূত্রের মাঝে আছে। পুরো বেদুইন গোত্র উঠের মূত্র পান করে ভাল হয়েছিল।


তাই বলে দুনিয়ার সবাইকে মূত্র পান করতে বলেন নি! এটা তো ইতিহাসের স্বীকৃত কথা, এই ঘটনা শোনার পর সেই বিশ্বাস দৃঢ় হওয়া জরুরী ছিল যে, তিনি প্রকৃতই আল্লাহ প্রেরিত রাসুল ছিলেন।


কালো জিরাকে বলা হয় 'মৃত্যু ছাড়া সর্ব রোগের মহৌষধ'। আবার অনেকে একে বলে, কালো হীরা।


প্রাচীন কাল থেকেই নানা অসুখ-বিসুখে কালো জিরাকে ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করে আসছেন চিকিৎসক-কবিরাজরা। মাথার চুল থেকে পায়ের নখ- সব অঙ্গের রোগ নিরাময়ে জুড়ি নেই কালো জিরার। সর্দি-কাশি, আমাশয়, ফুসফুসের প্রদাহ, মাথার যন্ত্রণা থেকে শুরু করে জন্ডিস সব রোগেরই উপযুক্ত দাওয়াই এই কালো জিরা।



নিচে কালো জিরার কিছু গুণ পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো


কালো জিরা ভর্তা আমরা অনেকেই শখ করে খাই। রান্নার মশলার মধ্যে কালো জিরার গুণাগুণের তুলনা নেই। কালো জিরা শুধু ক্ষুধা বাড়ায় তা নয়, পেটের বায়ুনাশক ও ফুসফুসের রোগেও মহাউপকারী।


আমাশা নিরাময়- আমাশার সমস্যায় কালোজিরা মহৌষধ। এ সময় কালোজিরা সামান্য ভেজে গুঁড়ো করে ৫০০ মিলিগ্রাম হারে ৭-৮ চা চামচ দুধে মিশিয়ে সকালে ও বিকেলে সাত দিন খেলে ভালো ফল পাওয়া যায়।


গলা ফোলা- সর্দি-কাসির জন্য গ্লান্ড ফুলেছে, সে ক্ষেত্রে কালোজিরা ও চাল পোড়া সমান পরিমাণে নিয়ে বেটে প্রলেপ দিলে এক দিনের মধ্যে ফোলা ও ব্যাথা উভয়ই উপশম হয়।


বিছের হুল- কালোজিরা বেটে কামড়ের জায়গায় লাগিয়ে দিলে অল্প সময় পরই হুলের জ্বালা কমে যায়।


চুল পড়া- কালোজিরা বেটে মাথায় নিয়মিত মালিশ করলে চুল পড়া কমে ও নতুন চুল গজায়।


দাঁতের ব্যথা- গরম জলে কালোজিরা নিয়ে তা দিয়ে কুলি করলে দাঁতের ব্যথার উপশম হয়।


ত্বকের শুষ্কতা- ঘিয়ের সঙ্গে কালোজিরা মিশিয়ে খেলে মুখ উজ্জ্বল হয় ও রং ফর্সা হয়।


মাথায় যন্ত্রণা - কাঁচা সর্দি থেকে মাথায় যন্ত্রণা হচ্ছে? এ ক্ষেত্রে কালোজিরা কাপড়ে পুঁটলি করে বেঁধে শুকোতে হবে। হাতে রগড়ে নিয়ে সেই গন্ধটা শুকলে উপকার পাওয়া যায়।


অনিয়মিত পিরিয়ড - যে সব মহিলা অনিয়মিত পিরিয়ডের সমস্যায় ভোগেন, তাদের পিরিয়ড শুরুর পাঁচ-সাত দিন আগে থেকে অল্প গরম জলে ৫০০ মিলিগ্রাম কালোজিরা মিশিয়ে সকালে ও বিকেলে খেলে পিরিয়ড নিয়মিত হবে।


চুলকানি- কালোজিরা ভাজা তেল গায়ে মাখলে চুলকানিতে উপকার হয়। এতে ১০০ গ্রাম সরষের তেলে ২৫-৩০ গ্রাম কালোজিরা ভেজে সে তেল ছেঁকে নিয়ে ব্যবহার করতে হয়।


কৃমি- ভিনেগারে ভিজিয়ে কালোজিরা খেলে কৃমি নষ্ট হয়।


স্মৃতিভ্রংশ- স্মৃতিভ্রংশ ও স্মরণশক্তির দুর্বলতায় কালোজিরা খুব কার্যকর। ৩ গ্রাম কালোজিরা ২০ মিলিলিটার মধুর সঙ্গে মিশিয়ে খেলে এ রোগ সারে। এতে সর্দি-কাশিও থাকবে একশ' গজ দূরে।


জন্ডিস, প্লীহাবৃদ্ধি- কালোজিরা বেটে খেলে এ সব রোগ ভালো হয়।


প্রস্রাবের বাধকতা- নিয়মিত কালোজিরা খেলে প্রস্রাব পরিষ্কার হয়ে যায়।



Created with the Personal Edition of HelpNDoc: Easily create Help documents