পেশি ও হাড়ের গঠন

Parent Previous Next

পেশি ও হাড়ের গঠন :


কোরআনে বলা হয়েছে মাতৃগর্ভাষয়ে মাংশপেশী গঠিত হওয়ার আগই বাচ্চার হাড় গঠিত হয়।

“এর পর আমি শুক্রবিন্দুকে জমাটরক্তবিন্দুতে পরিনত করেছি, অত:পর জমাট রক্তকে মাংষপিন্ডে অত:পর সেই পিন্ডকে হাড়-এ আর তারপর সে হাড়কে মাংসপেশী দ্বারা সজ্জিত করি। এবং এরপর তাকে একটি নতুন সৃষ্টিতে রুপান্তরিত করি, আল্লাহতায়ালার আর্শিবাদ দ্বারা সর্বশ্রেষ্ঠ সৃষ্টি রূপে। নিপুনতম সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ তায়ালা কত কল্যানময়।” (সূরা মুমিনুন:১২-১৪)


কিছুদিন পূর্বেও এম্ব্রয়লোজি জানতো যে, এম্ব্রয় এর হাড় ও মাংসপেশী একই সময়ে তৈরী হয়। এখন আধুনিক এমব্র্যয়লজি এভাবে দেয়া হয়েছে “সাত সপ্তাহের মদ্ধে কংকালের গঠন শেষ হয় এবং দেহের সবখানে ছড়িয়ে পরতে থাকে। এবং হাড় এর বিভিন্ন আকৃতি ধারণ করে। অষ্টম সপ্তাহের দিকে মাংসপেশী গঠিত হতে থাকে যা হাড়ের চারপাশে অবস্থান নিতে থাকে।” Keith Moore (developing Human, 6 part)-1998

অর্থাৎ মানুষের জন্ম ঠিক সেভাবেই হয় যেভাবে কোরআনে বলা হয়েছে।


মার্কিন নাগরিক ও বিজ্ঞানী মার্শাল জনসন ভ্রুনতত্ত্ব সম্পর্কিত আয়াত প্রসঙ্গে বলেছেন, “ভ্রণের বিকাশের পর্যায়গুলো সম্পর্কে কোরআনের এ বাস্তবতা আবিস্কার করা সম্ভব। কোরআন হল দেড় হাজার বছর আগের গ্রন্থ। সে সময় কোন মাইক্রোসকোপের অস্তিত্ব ছিল না। তখনও মাইক্রোস্কোপ আবিস্কৃতই হয়নি। কোরআন নাজিলের বহু বছর পরে যখন মাইক্রোস্কোপ আবিস্কৃত হল তখন ওই মাইক্রোস্কোপ কোন বস্তুকে ১০ গুণের বেশি বড় করতে পারতো না এবং স্বচ্ছতাও কম ছিল কাজেই কোরআনের বানী মানুষের হতে পারে না”

Created with the Personal Edition of HelpNDoc: Easily create PDF Help documents