মুসলমান ও ইহুদিরা ধর্মীয় কারণে খতনা করান!


স্বাস্থ্যগত কারণ :
***************
পুরুষের খতনাকে আধুনিক স্বাস্থ্য বিজ্ঞানীরা অত্যন্ত স্বাস্থ্যসম্মত বলে মনে করেন। খতনার মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের ছত্রাক (ব্যাকটেরিয়া) জাতীয় রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। খতনার প্রধান সুবিধা হলো এর ফলে লিঙ্গের অগ্র ত্বকে যে রিত তরল জমে নোংরা অবস্থার সৃষ্টি করে তা থেকে লিঙ্গ রেহাই পেতে পারে

১)ইউরোলজি জার্নালে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খতনা করালে শিশুদের মূত্রপথের সংক্রমণ প্রতিরোধ হয়। এর ফলে প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া, জ্বর, খাবারে অনীহা এবং স্বাস্থ্য ভালো না হওয়া ইত্যাদি সমস্যা লেগেই থাকে।

২)প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের ক্ষেত্রে খতনা করালে লিঙ্গের ক্যান্সার প্রতিরোধ হয় ও যৌনবাহিত রোগের ঝুঁকি কমে।

৩)বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার মতে, পুরুষের খতনা এইচআইভি বা এইডস প্রতিরোধে একটি কার্যকর ভূমিকা রাখে। এটি আংশিক সুরক্ষা দেয়।

৪)লিঙ্গের মাথায় প্রদাহ, চুলকানি ও জ্বালাপোড়া করলেও খতনা করালে তা সেরে যায়।

৫)ইংল্যান্ড, আমেরিকাসহ ইউরোপেও খতনা করানো হয়। সেখানে গুরুত্বের সঙ্গে এটা দেখা হয়। কনসালটেন্ট সার্জনরা খতনা করিয়ে থাকেন। অনেক সময় শিশুর জন্মের পরই ডাক্তাররা খতনা করিয়ে ফেলেন। কারণ তারা আমাদের চেয়ে স্বাস্থ্যসচেতন। এছাড়া ফাইমোসিস বা প্যারা ফাইমোসিস রোগ হলে খতনা করাতেই হয়। ফাইমোসিস হলো পুরুষাঙ্গের মাথার দিকের চামড়া এমনভাবে মূত্রনালিকে ঢেকে রাখে, বাচ্চা বা রোগীর প্রস্রাব ঠিকমতো বের হতে পারে না, প্রস্রাবের সময় লিঙ্গের মাথা ফুলে ওঠে। এভাবে বেশিদিন চললে প্রস্রাবে ইনফেকশন হয়, এমনকি কিডনিও নষ্ট হতে পারে।

৬)পুরুষাঙ্গের মাথার বাড়তি চামড়ার নিচে এক ধরনের সাদা পদার্থ জমে এবং এটিই পুরুষাঙ্গের ক্যান্সারের জন্য দায়ী।

৭)যৌন বিজ্ঞানীরা বহুকাল আগে থেকেই বলে আসছে-পুরুষের খতনা করালে স্পর্শকাতরতা বেড়ে যায়। এতে করে যৌন মিলনে অধিক আনন্দ উপভোগ করে নারী-পুরুষ উভয়েই। পরিতৃপ্তির মাত্রাটাও বেশি হয়। অমুসলিম সম্প্রদায়ের মাঝেও খতনার প্রচলন রয়েছে। আফ্রিকার ‘ঝোসা’ সম্প্রদায়ের মাঝে কথিত আছে খতনা না করালে 'পুরুষ' হওয়া যায় না, বালক থেকে যায়। এ সম্প্রদায়েরই পুরুষ বিশ্বনন্দিত অবিসংবাদিত নেতা সদ্য প্রয়াত নেলসন ম্যান্ডেলাও খতনা করেছেন।

*******
শিশুদের খতনা করাতে দেরি করা ঠিক নয়। কারণ এতে লিঙ্গমুণ্ডুর ত্বকে জীবাণুর সংক্রমণ, মূত্রপথের সংক্রমণের হার বেড়ে যায়। সুতরাং দেরি না করে আপনার শিশুর খতনা করানোর দ্রুত সিদ্ধান্ত নিন। শিশুর বয়স কিছু বেশি হলে খতনা করাতে গেলে তার জন্য ভীতিকর ও কষ্টকর হয়ে পড়ে। অভিজ্ঞ চিকিৎসক দিয়ে খতনা না করালে ইনফেকশন, রক্তক্ষরণ, প্রস্রাব পথের ফিস্টুলা, সিস্ট, হাইগোমপেডিয়াসিম এমনকি ভবিষ্যতে পুরুষত্বহীনতা হতে পারে। এ ব্যাপারে সতর্ক থাকবেন।

প্রিকাউন্টার
***********
এই পোস্ট পড়ে অনেকেই বলবে যদি এটা এতো উপকারিই হয় তাহলে জন্মের সময় দেওয়া হয় কেনো? এক বারে কেটে পাঠালেই হত।

উত্তর
আম, কলা বা যেকোন ফলমুল চামড়া সহ পাঠানো হয়,কিন্তু খাওয়ার সময় আমরা ছিলে খাই।

অনুরুপ আমাদের জন্মের আগে থেকে কেটে পাঠানো হয় না,কারন সেই স্পর্শ কাতর জায়গা ঢেকে রাখা দরকার।এরপর যখন সেটা পরিপক্ক হয় তখন কেটে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়।

আমাদের সাস্থের জন্য কখন কোনটা দরকার একমাত্র আমাদের প্রস্তুত কারকই জানেন।তার প্রমাণ হল এইই খত্না পদ্ধতি।



Created with the Personal Edition of HelpNDoc: Full-featured EBook editor