নূহের প্লাবনের বর্ণনা

Parent Previous Next

কোরআনে নূহের প্লাবনের বর্ণনা অবৈজ্ঞানিক ও গাঁজাখোরী!


জবাব:

কোরআনে বর্ণিত নূহের প্লাবনের বর্ণনাটা আগে দেখে নেয়া যাক:


“And it was revealed to Nuh: That none of your people will believe except those who have already believed, therefore do not grieve at what they do. And make the ark before Our eyes and (according to) Our revelation, and do not speak to Me in respect of those who are unjust; surely they shall be drowned. And he began to make the ark; and whenever the chiefs from among his people passed by him they laughed at him. He said: If you laugh at us, surely we too laugh at you as you laugh (at us). So shall you know who it is on whom will come a chastisement which will disgrace him, and on whom will lasting chastisement come down. Until when Our command came and water came forth from the valley, We said: Carry in it two of all things, a pair, and your own family– except those against whom the word has already gone forth, and those who believe.” (11:36-40)


কোরআনে এর চেয়ে বেশী কিছু নেই। কী মনে হয় পাঠক! কোন রকম ব্যাখ্যাতে যাওয়ার দরকার আছে কি? তথাপি সংক্ষেপে কিছু পয়েন্ট তুলে ধরা হচ্ছে:

(১) কোরআনে নূহের প্লাবনের দিন-তারিখ ও জাহাজের আকার-আকৃতি উল্লেখ নেই;

(২) ‘সম্পূর্ণ পৃথিবী পানিতে নিমজ্জিত ছিল’–এরকম কোন কথা কোরআনে লিখা নেই, যেমনটি বাইবেলে আছে;

(৩) কোরআনে যেমন সরাসরি ‘লোকাল প্লাবন’ লিখা নেই তেমনি আবার ‘গ্লোবাল প্লাবন’ বলেও কিছু উল্লেখ নেই। অতএব কোরআনে নূহের প্লাবনকে জোর করে ‘গ্লোবাল প্লাবন’ বানিয়ে দেয়ার মধ্যে তো কোন যৌক্তিকতা নেই। কোরআনে সুস্পষ্টভাবে নূহ্ (আঃ) ও তাঁর অনুসারীদের কথা বলা হয়েছে। ফলে কোরআনের বর্ণনা অনুসারে ঘটনাটি শুধু নূহের জনগোষ্ঠির মধ্যেই সীমাবদ্ধ হওয়ার কথা। একটি নির্দিষ্ট এলাকাতে বড় কোন প্লাবন হওয়াটা অসম্ভব হবে কেন?


‘Carry in it two of all things’ দ্বারা মানুষ ও পশু-পাখির সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি। এমনও হতে পারে যে, নূহের পরিবার ও আশেপাশে থেকে হাতের কাছে যা পাওয়া যায় তার মধ্যে থেকেই এক জোড়া করে নেয়া হয়েছে। কোন এলাকাতে আচমকা বন্যার পানি ঢোকা শুরু করলে যা হওয়া স্বাভাবিক সেরকমই কিছু একটা হয়ে থাকতে পারে। এরকম একটি বর্ণনা পড়ে অবৈজ্ঞানিক বা গাঁজাখোরী তো দূরে থাক নিদেনপক্ষে চা-খোরী বলতেও বিবেকে বাধা দেয়ার কথা। অনেকেই দেখা যায় বাইবেলের কাহিনী দিয়ে কোরআনের সমালোচনা করে। বাইবেলে নূহের মহাপ্লাবনের বর্ণনা যারা পড়েছেন তাদেরকে নিশ্চয় নতুন করে কিছু বলতে হবে না। সেখানে এমন কিছু উপাত্ত ও বর্ণনা আছে যেগুলোর কিছুই কোরআনে নেই। এবার স্বাভাবিকভাবেই যৌক্তিক একটি প্রশ্ন চলে আসে: বাইবেলে বর্ণিত ‘বিস্তারিত অথচ অবৈজ্ঞানিক’ কাহিনীকে প্রফেট মুহাম্মদ কীভাবে ‘কাট্-ছাঁট্’ করে কপি করে স্বাভাবিক ঘটনা বানিয়ে দিলেন!

Created with the Personal Edition of HelpNDoc: Free CHM Help documentation generator