বাইবেলের জেনেসিস থেকে কপি করে কোরআন লিখা

Parent Previous Next

বাইবেলের জেনেসিস থেকে কপি করে কোরআন লিখা হয়েছে।


জবাব:

ইহুদীরা নিজেরাই বাইবেলে বিশ্বাস করে না বললেই চলে। হাতে গোনা কিছু ইহুদী রাবাই হয়তো বাইবেলের একটি অংশে বিশ্বাস করে। এমনকি খুব কম সংখ্যক টেলিভাঞ্জেলিস্ট মিশনারিজ ছাড়া ক্রিস্টিয়ানরাও বাইবেলের ওল্ড টেস্টামেন্টকে যথাসম্ভব এড়িয়ে চলার চেষ্টা করে। অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদেরও একই অবস্থা। অন্যদিকে দেড় বিলিয়নেরও বেশী মুসলিম কোরআনকে এই মহাবিশ্বের সৃষ্টিকর্তার রেভিলেশন হিসেবে যেমন বিশ্বাস করে তেমনি আবার কাভার-টু-কাভার ডিফেন্ডও করে। প্রতি বছর হাজার হাজার ইহুদী-ক্রিস্টিয়ান ইসলামে ধর্মান্তরিত হয়েও কোরআনকে ডিফেন্ড করছেন।


এই যখন বাস্তবতা তখন বছরের পর বছর ধরে একই বুলি আউড়ানো হচ্ছে এই বলে যে, বাইবেলের জেনেসিস থেকে কপি করে কোরআন লিখা হয়েছে, যাকে মুসলিমরা এই মহাবিশ্বের সৃষ্টিকর্তার রেভিলেশন হিসেবে বিবেচনা করে! ভাবখানা যেন এমন- মুসলিমরা সবায় অজ্ঞ-বোবা-কালা-অন্ধ- কিছুই বুঝে না! কিন্তু প্রফেট মুহাম্মদ কবে, কোথায়, ও কীভাবে বাইবেলের জেনেসিস থেকে কপি করেছেন তার কোন প্রমাণ দেয়া হয় না। এই ধরণের অন্তঃসারশূন্য বুলিকে বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী মহলে উপস্থাপন করা হলে হেসেই উড়িয়ে দেয়া হবে। জন্মসূত্রে মুসলিমরা তো দূরে থাক, এমনকি ড. গ্যারি মিলার, ইউসুফ এস্টেস, ও আব্দুর রহিম গ্রীন এর মতো ইহুদী-ক্রিস্টিয়ান ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে হাজার হাজার ধর্মান্তরিত মুসলিম এই ধরণের বুলি শুনলে হয়তো যুক্তিবিদ্যায় ন্যূনতম জ্ঞান অর্জনের জন্য তালেবান মাদ্রাসাতে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দেবেন। মজার বিষয় হচ্ছে যারা এই ধরণের বুলি আউড়ায় তারা কিন্তু কোরআন ও বাইবেলের মধ্যে পার্থক্যই জানে না। এগুলো সবই শেখানো বুলি।

Created with the Personal Edition of HelpNDoc: Free HTML Help documentation generator